অসম নির্বাচনে যাতায়াতের কড়াকড়ি: বাংলা থেকে যাচ্ছে কয়েকশ বাস ও ছোট গাড়ি
অসম নির্বাচনে যাতায়াতের কড়াকড়ি: বাংলা থেকে যাচ্ছে কয়েকশ বাস ও ছোট গাড়ি
ট্রেন্ডিংপশ্চিমবঙ্গরাজনীতিভোট 26


অসম নির্বাচনে যাতায়াতের কড়াকড়ি: বাংলা থেকে যাচ্ছে কয়েকশ বাস ও ছোট গাড়ি
নিজস্ব প্রতিবেদন: অসম বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনিক ও নির্বাচনী প্রস্তুতি তুঙ্গে। নির্বাচনের কাজে যাতায়াত ও আইন-শৃঙ্খলার প্রয়োজনে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিপুল সংখ্যক যানবাহন পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মূলত দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে বাস এবং ছোট গাড়ি রিকুইজিশন করা হয়েছে।
দক্ষিণ বঙ্গ থেকে গাড়ির বহর
নির্বাচনী ডিউটির প্রয়োজনে নদীয়া দক্ষিণ এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলা থেকে বড় সংখ্যার যানবাহন যাচ্ছে। প্রশাসন সূত্রে খবর:
৩৫০টি বড় বাস: (প্রতিটি ৪০ সিটের)।
১০০টি ছোট গাড়ি: (প্রতিটি ২৬ সিটের বা মিনিবাস)।
এই গাড়িগুলি গত ৪ তারিখ সন্ধ্যায় দক্ষিণবঙ্গ থেকে অসমের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।
উত্তরবঙ্গ থেকে বড় সাহায্য
দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গ থেকে যানবাহনের যোগান আরও বেশি। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলা থেকে রেকর্ড সংখ্যক বাস ও মিনিবাস এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যোগ দিচ্ছে। ভৌগোলিক সান্নিধ্যের কারণে উত্তরবঙ্গের গাড়িগুলিকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টিং ও সময়সীমা
প্রশাসনিক নির্দেশিকা অনুযায়ী, যাতায়াতের সময়সূচী অত্যন্ত কড়াভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে:
দক্ষিণবঙ্গের বাস: গত ৪ তারিখ সন্ধ্যায় জেলা থেকে বেরিয়ে পড়েছে।
সীমান্তে রিপোর্ট: উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গ—উভয় প্রান্তের গাড়িগুলিকেই আজ অর্থাৎ ৬ তারিখের মধ্যে অসম সীমান্তে নির্দিষ্ট চেকপোস্টে রিপোর্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
"নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। পার্শ্ববর্তী রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের এই জেলাগুলি থেকে যানবাহন পাঠিয়ে নির্বাচনী কাজে সহযোগিতা করা হচ্ছে।" — পরিবহণ দপ্তর সূত্রে খবর
সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তির আশঙ্কা?
এত বিপুল সংখ্যক বাস ও মিনিবাস একসঙ্গে ভিন রাজ্যে চলে যাওয়ায় নদীয়া ও উত্তর ২৪ পরগনার স্থানীয় রুটগুলোতে সাধারণ যাত্রীদের কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হতে হতে পারে। তবে প্রশাসন বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে।
আগামী কয়েকদিন অসমের ভোট প্রক্রিয়া চলাকালীন এই গাড়িগুলি সেখানেই মোতায়েন থাকবে। কাজ শেষ করে পুনরায় এগুলি বাংলায় ফিরে আসবে।
রাহুল চট্টোপাধ্যায়
