ভূমিহীন চাষিদের পাশে দরদি 'দিদি': ১ এপ্রিল থেকেই মিলবে ক্ষেতমজুর ভাতা
ভূমিহীন চাষিদের পাশে দরদি 'দিদি': ১ এপ্রিল থেকেই মিলবে ক্ষেতমজুর ভাতা
ট্রেন্ডিংপশ্চিমবঙ্গরাজনীতিভোট 26


ভূমিহীন চাষিদের পাশে দরদি 'দিদি': ১ এপ্রিল থেকেই মিলবে ক্ষেতমজুর ভাতা
ভোটের বাদ্যি বাজার আগেই গ্রামীণ বাংলার মন জয়ে বড় চাল দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে সমস্ত প্রান্তিক কৃষকের নিজস্ব জমি নেই এবং যারা অন্যের জমিতে শ্রম দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন, সেই ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের জন্য এবার সরাসরি আর্থিক সহায়তার কথা ঘোষণা করল নবান্ন। মঙ্গলবার এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী ১ এপ্রিল থেকেই এই নতুন ভাতা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন রাজ্যের লক্ষ লক্ষ ক্ষেতমজুর।
এক নজরে প্রকল্পের খুঁটিনাটি:
রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপে কৃষিজীবী পরিবারগুলির জন্য একাধিক বড় ঘোষণা করা হয়েছে:
বার্ষিক অনুদান: ভূমিহীন ক্ষেতমজুররা বছরে মোট ৪,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।
কিস্তি: এই টাকা দুটি সমান কিস্তিতে (২,০০০ টাকা করে) সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে— একটি খারিফ মরসুমে এবং অন্যটি রবি মরসুমে।
আবেদন পদ্ধতি: আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে বিশেষ ক্যাম্প করা হবে। 'দুয়ারে সরকার'-এর ধাঁচেই এই ক্যাম্পগুলি থেকে আবেদনপত্র জমা নেওয়া হবে।
সেচ মাশুল মকুব: ভাতার পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের জন্য সরকারি টিউবওয়েল বা রিভার লিফট ইরিগেশন (RLI)-এর সেচ খরচ সম্পূর্ণ মকুব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য।
"আমরা কৃষক বন্ধুদের মৃত্যুতে ২ লক্ষ টাকা দিই, শস্যবিমা দিই। কিন্তু যাদের জমি নেই, সেই ক্ষেতমজুররা এতদিন ব্রাত্য ছিলেন। এবার থেকে তাঁরাও বছরে ৪,০০০ টাকা করে পাবেন। ১ এপ্রিল থেকেই এই পরিষেবা শুরু হবে।"
