দীঘা-মন্দারমণি যাওয়া আরও সহজ, চালু হচ্ছে নতুন হল্ট স্টেশন
দীঘা-মন্দারমণি যাওয়া আরও সহজ, চালু হচ্ছে নতুন হল্ট স্টেশন
ট্রেন্ডিংপশ্চিমবঙ্গ


দীঘা-মন্দারমণি যাওয়া আরও সহজ, চালু হচ্ছে নতুন হল্ট স্টেশন
সমুদ্রসৈকতগামী পর্যটকদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। দীঘা ও মন্দারমণির পথে যাতায়াত আরও সহজ করতে রেল কর্তৃপক্ষ নতুন একটি হল্ট স্টেশন চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। রেলের দাবি, এই স্টেশন চালু হলে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ যেমন সুবিধা পাবেন, তেমনই পর্যটকদের যাতায়াতও হবে দ্রুত ও স্বচ্ছন্দ।
রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, পর্যটনের বাড়তি চাপ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবির কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন হল্ট স্টেশন চালু হলে ছোট দূরত্বের যাত্রীদের জন্য ট্রেন ধরার সুযোগ বাড়বে, ফলে বড় স্টেশনগুলিতে ভিড়ও কিছুটা কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীঘা-মন্দারমণি এখন আর শুধু মৌসুমি পর্যটনকেন্দ্র নয়; সারা বছরই পর্যটকদের আনাগোনা থাকে। হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহণ—সব মিলিয়ে একটি বড় অর্থনৈতিক পরিকাঠামো গড়ে উঠেছে। সেই প্রেক্ষাপটে রেল যোগাযোগ বাড়ানোকে পর্যটন শিল্পের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করা হচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের একাংশের বক্তব্য, নতুন স্টেশন চালু হলে সপ্তাহান্তে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে স্থানীয় অর্থনীতিতে। ছোট দোকান, লজ, গাড়িভাড়া পরিষেবা—সব ক্ষেত্রেই বাড়তি আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হবে।
তবে কিছু মহলের মতে, শুধু স্টেশন চালু করলেই হবে না; ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো, সময়সূচি সুবিধাজনক করা এবং স্টেশনের পরিকাঠামো উন্নত করাও সমান জরুরি। না হলে প্রত্যাশিত সুফল পুরোপুরি মিলবে না।
সব মিলিয়ে, নতুন হল্ট স্টেশন চালুর উদ্যোগকে ঘিরে আশাবাদ বাড়ছে। পর্যটন এবং স্থানীয় যাতায়াত—দুই ক্ষেত্রেই এর প্রভাব কতটা পড়ে, এখন সেটাই দেখার। তবে প্রাথমিকভাবে রেলের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
