খুশির ঈদের আগে মানবিক উদ্যোগ: সংখ্যালঘু এলাকায় উপহার বিলি প্রাক্তন বরো চেয়ারম্যানের

খুশির ঈদের আগে মানবিক উদ্যোগ: সংখ্যালঘু এলাকায় উপহার বিলি প্রাক্তন বরো চেয়ারম্যানের

ট্রেন্ডিংপশ্চিমবঙ্গ

3/20/20261 min read

খুশির ঈদের আগে মানবিক উদ্যোগ: সংখ্যালঘু এলাকায় উপহার বিলি প্রাক্তন বরো চেয়ারম্যানের

রমজান মাস শেষের পথে, আর কয়েক দিন পরেই পবিত্র খুশির ঈদ। উৎসবের আনন্দকে সকলের মধ্যে ভাগ করে নিতে প্রতি বছরের মতো এবারও মানবিক রূপে ধরা দিলেন হাওড়া পুরসভার প্রাক্তন বরো চেয়ারম্যান গৌতম দত্ত

হাওড়া পুরসভার অন্তর্গত সংখ্যালঘু অধ্যুষিত ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের মুসলিম ভাই-বোনদের মুখে হাসি ফোটাতে এদিন বিশেষ এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঈদ উপলক্ষে এলাকার দুস্থ ও অসহায় মানুষদের হাতে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী ও নতুন বস্ত্র উপহার হিসেবে তুলে দেন গৌতম বাবু।

সম্প্রীতির অনন্য নিদর্শন

গৌতম দত্ত কেবল ঈদেই নয়, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে প্রতি বছর এলাকার মানুষদের নতুন জামাকাপড় ও খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই ঈদের আগে মুসলিম সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ালেন তিনি।

অনুষ্ঠানের বিশেষ দিকগুলি:

  • খাদ্য সামগ্রী বিতরণ: ঈদের রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

  • বস্ত্র উপহার: ছোট-বড় সকলের জন্য নতুন পোশাকের ব্যবস্থা।

  • ব্যক্তিগত সংযোগ: প্রাক্তন কাউন্সিলর নিজে উপস্থিত থেকে অভাবী মানুষের অভাব অভিযোগ শোনেন।

"উৎসবের কোনো ধর্ম হয় না। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আসল কাজ। আমরা প্রতি বছর পুজোর সময় যেমন মানুষের পাশে থাকি, ঈদের আনন্দও একইভাবে ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করি।" — গৌতম দত্ত, প্রাক্তন বরো চেয়ারম্যান।

খুশির হাওয়া এলাকায়

ঈদের আগে হাতে নতুন পোশাক ও খাবার পেয়ে খুশি সাধারণ মানুষ। এলাকার বাসিন্দাদের মতে, জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং ঘরের মানুষের মতো বিপদে-আপদে সবসময় পাশে থাকেন গৌতম বাবু। বর্তমান সময়ে এই ধরণের মানবিক কর্মসূচি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ হয়ে রইল।খুশির ঈদের আগে মানবিক উদ্যোগ: সংখ্যালঘু এলাকায় উপহার বিলি প্রাক্তন বরো চেয়ারম্যানের

নিজস্ব প্রতিবেদন, হাওড়া: রমজান মাস শেষের পথে, আর কয়েক দিন পরেই পবিত্র খুশির ঈদ। উৎসবের আনন্দকে সকলের মধ্যে ভাগ করে নিতে প্রতি বছরের মতো এবারও মানবিক রূপে ধরা দিলেন হাওড়া পুরসভার প্রাক্তন বরো চেয়ারম্যান গৌতম দত্ত

হাওড়া পুরসভার অন্তর্গত সংখ্যালঘু অধ্যুষিত ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের মুসলিম ভাই-বোনদের মুখে হাসি ফোটাতে এদিন বিশেষ এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঈদ উপলক্ষে এলাকার দুস্থ ও অসহায় মানুষদের হাতে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী ও নতুন বস্ত্র উপহার হিসেবে তুলে দেন গৌতম বাবু।

সম্প্রীতির অনন্য নিদর্শন

গৌতম দত্ত কেবল ঈদেই নয়, বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে প্রতি বছর এলাকার মানুষদের নতুন জামাকাপড় ও খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই ঈদের আগে মুসলিম সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ালেন তিনি।

অনুষ্ঠানের বিশেষ দিকগুলি:

  • খাদ্য সামগ্রী বিতরণ: ঈদের রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

  • বস্ত্র উপহার: ছোট-বড় সকলের জন্য নতুন পোশাকের ব্যবস্থা।

  • ব্যক্তিগত সংযোগ: প্রাক্তন কাউন্সিলর নিজে উপস্থিত থেকে অভাবী মানুষের অভাব অভিযোগ শোনেন।

"উৎসবের কোনো ধর্ম হয় না। মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আসল কাজ। আমরা প্রতি বছর পুজোর সময় যেমন মানুষের পাশে থাকি, ঈদের আনন্দও একইভাবে ভাগ করে নেওয়ার চেষ্টা করি।" — গৌতম দত্ত, প্রাক্তন বরো চেয়ারম্যান।

খুশির হাওয়া এলাকায়

ঈদের আগে হাতে নতুন পোশাক ও খাবার পেয়ে খুশি সাধারণ মানুষ। এলাকার বাসিন্দাদের মতে, জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং ঘরের মানুষের মতো বিপদে-আপদে সবসময় পাশে থাকেন গৌতম বাবু। বর্তমান সময়ে এই ধরণের মানবিক কর্মসূচি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ হয়ে রইল।

নারায়ণ রতন দত্ত/হাওড়া