মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমান প্রসঙ্গে নীরব নির্বাচন কমিশন কমিশনের বৈঠকের পর কড়া হুঁশিয়ারি— আইন ভাঙলে রেহাই নয়
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমান প্রসঙ্গে নীরব নির্বাচন কমিশন কমিশনের বৈঠকের পর কড়া হুঁশিয়ারি— আইন ভাঙলে রেহাই নয়
ট্রেন্ডিংপশ্চিমবঙ্গদেশ


মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমান প্রসঙ্গে নীরব নির্বাচন কমিশন
কমিশনের বৈঠকের পর কড়া হুঁশিয়ারি— আইন ভাঙলে রেহাই নয়
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে অপমান ও কুরুচিকর মন্তব্যের অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। তবে এই ইস্যুতে সরাসরি কোনও মন্তব্য করল না নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পর এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে কড়া ভাষায় সতর্কবার্তা দিল তারা— নির্বাচনী আচরণবিধি ও আইন ভাঙলে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিন নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচনী প্রচারে ভাষার শালীনতা এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে কমিশনের তরফে জানানো হয়, নির্বাচনী সময়ে কোনও ব্যক্তিগত আক্রমণ, অপমানজনক মন্তব্য বা উসকানিমূলক ভাষা বরদাস্ত করা হবে না।
যদিও মুখ্যমন্ত্রীকে অপমানের নির্দিষ্ট ঘটনায় কমিশন নীরবতা বজায় রেখেছে, তবুও বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে— “কোনও ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দল আইন ভাঙলে নির্বাচন কমিশন উপযুক্ত আইনি পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না।” কমিশনের মতে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সময় সকল রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব সংযম বজায় রাখা।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী শিবিরে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে পরিকল্পিতভাবে অপমানজনক ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে এবং নির্বাচন কমিশনের উচিত দ্রুত ও স্পষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া। অন্যদিকে বিরোধীদের বক্তব্য, কমিশনের সতর্কবার্তাই যথেষ্ট।
রাজনৈতিক মহলের মতে, কমিশনের এই কড়া হুঁশিয়ারি আসন্ন নির্বাচনের আগে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। ভোটের ময়দানে ভাষার সীমা লঙ্ঘন করলে তার মূল্য চোকাতে হবে— এমনই ইঙ্গিত দিল নির্বাচন কমিশন।
subhendu chatterjee.howrah
