আলোকসজ্জা ও সাংস্কৃতিক ছোঁয়ায় বর্ণিল দাশনগর; দোল উৎসবের প্রাক্কালে মাতল হাওড়াবাসী
আলোকসজ্জা ও সাংস্কৃতিক ছোঁয়ায় বর্ণিল দাশনগর; দোল উৎসবের প্রাক্কালে মাতল হাওড়াবাসী
ট্রেন্ডিংপশ্চিমবঙ্গরাজনীতিভোট 26


আলোকসজ্জা ও সাংস্কৃতিক ছোঁয়ায় বর্ণিল দাশনগর; দোল উৎসবের প্রাক্কালে মাতল হাওড়াবাসী
নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: "আজ সবার রঙে রঙ মেশাতে হবে"—কবিগুরুর এই কালজয়ী সুরকে পাথেয় করেই রঙের উৎসবে মাতল হাওড়ার দাশনগর। দোল ও হোলির শুভ লগ্নে প্রতি বছরের মতো এবারও দাশনগর মাঠে আয়োজিত হলো এক বর্ণাঢ্য বসন্ত উৎসব। ফাগুনের বিকেলে আবির আর আলোর রোশনাইয়ে এক মায়াবী পরিবেশ তৈরি হয় সমগ্র এলাকায়।
'মমতাময়ী মা' শীর্ষক ব্যানারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের মধ্যমণি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজকর্মী দম্পতি শুভাশীষ পাল ও স্বপ্না পাল। তাঁদের আন্তরিক আমন্ত্রণে এদিনের অনুষ্ঠানে চাঁদের হাট বসেছিল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ প্রসূন ব্যানার্জি। এছাড়াও রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া জগতের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এই মিলন উৎসবে শামিল হন।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ:
সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা: স্থানীয় ও আমন্ত্রিত শিল্পীদের অনবদ্য সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে।
আলো ও রঙের খেলা: গোটা মাঠ আলোকসজ্জায় সাজিয়ে তোলা হয়েছিল। আবিরের রঙে রঙিন হয়ে ওঠে সবার মন।
মিষ্টিমুখ: উৎসবে আগত সকল মানুষকে মিষ্টিমুখ করিয়ে ভ্রাতৃত্বের বার্তা দেওয়া হয়।
আয়োজক শুভাশীষ পাল জানান, মানুষের মধ্যে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার লক্ষ্যেই প্রতি বছর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। দোল মানেই সম্প্রীতির উৎসব, আর সেই সুরই আজ প্রতিধ্বনিত হলো দাশনগরের বুকে। অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত অভ্যাগতরা এই আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সবমিলিয়ে বসন্তের এই উৎসব এক অনন্য স্মৃতি হয়ে রইল হাওড়াবাসীর মনে।
নারায়ণ রতন দত্ত/হাওড়া
