মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে হাওড়ায় 'উন্নয়নের পাঁচালি' ও গুণীজন সংবর্ধনা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে হাওড়ায় 'উন্নয়নের পাঁচালি' ও গুণীজন সংবর্ধনা
ট্রেন্ডিংপশ্চিমবঙ্গরাজনীতিভোট 26


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে হাওড়ায় 'উন্নয়নের পাঁচালি' ও গুণীজন সংবর্ধনা
দীর্ঘ বাম আমলের স্থবিরতা কাটিয়ে ২০১১ সালে রাজ্যের শাসনভার হাতে নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ১৫ বছরে তাঁর নেতৃত্বে বাংলা দেখেছে আমূল পরিবর্তন। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে সেই উন্নয়নের খতিয়ান মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দিতে মুখ্যমন্ত্রী শুরু করেছেন ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ কর্মসূচি। আর সেই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবেই হাওড়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এবং মন্ত্রী অরূপ রায়ের বিশেষ সহায়তায় পালিত হলো এক অনন্য সামাজিক অনুষ্ঠান।
১৫ বছরের খতিয়ান নিয়ে মানুষের দুয়ারে 'উন্নয়নের পাঁচালি'
তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, বাম জমানার উন্নয়নহীনতায় বীতশ্রদ্ধ হয়ে মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর আস্থা রেখেছিলেন। গত দেড় দশকে সেই আস্থার মর্যাদা দিয়ে রাজ্যজুড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিকাঠামোয় যে জোয়ার এসেছে, তাকেই ‘উন্নয়নের পাঁচালি’র মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে। দলের লক্ষ্য, আগামীর লড়াইয়ের আগে উন্নয়নের প্রকৃত চিত্রটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া।
কৃতিদের সম্মাননা: সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা
উন্নয়ন প্রচারের পাশাপাশি এ দিন সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের তাঁদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সংবর্ধনা জানানো হয়। হাওড়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেস ও মন্ত্রী অরূপ রায়ের উপস্থিতিতে এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানটি ভিন্ন মাত্রা পায়। মন্ত্রী সশরীরে উপস্থিত থেকে কৃতিদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
সম্মান প্রাপকদের তালিকায় ছিলেন:
ডাঃ প্রসেনজিৎ ব্যানার্জি ও ডাঃ মিলন চক্রবর্তী: চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাঁদের অনবদ্য অবদানের জন্য।
রাম রতন চৌধুরী: বিশিষ্ট স্থপতি হিসেবে তাঁর সৃজনশীল কাজের স্বীকৃতির জন্য।
মামুন আখতার: বিশিষ্ট শিক্ষাব্রতী ও সমাজসেবক। উল্লেখ্য, মামুন আখতার কেবল শিক্ষার প্রসারে নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনেও এক অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন।
মন্ত্রীর বক্তব্য ও প্রতিক্রিয়া
মন্ত্রী অরূপ রায় জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় উন্নয়নের বার্তা যেমন সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে, তেমনই সমাজের প্রকৃত গুণীজনদের সম্মান জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
সংবর্ধিত গুণীজনেরা এই উদ্যোগের জন্য মন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁদের মতে, এ ধরনের রাষ্ট্রীয় বা রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে পাওয়া স্বীকৃতি আগামী দিনে জনসেবা ও নিজ নিজ পেশার ক্ষেত্রে কাজ করার উৎসাহ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।
নারায়ণ রতন দত্ত/হাওড়া
