ইরাবতীর এক ফোঁটা জলও আর পাবে না পাকিস্তান! সিন্ধু চুক্তির পর মোদী সরকারের বড় ‘মাস্টারস্ট্রোক’
ইরাবতীর এক ফোঁটা জলও আর পাবে না পাকিস্তান! সিন্ধু চুক্তির পর মোদী সরকারের বড় ‘মাস্টারস্ট্রোক’
ট্রেন্ডিংপশ্চিমবঙ্গরাজনীতিঢাকাবিদেশভোট 26দেশ


ইরাবতীর এক ফোঁটা জলও আর পাবে না পাকিস্তান! সিন্ধু চুক্তির পর মোদী সরকারের বড় ‘মাস্টারস্ট্রোক’
নয়াদিল্লি: সীমান্তে সন্ত্রাস আর ওপারে উস্কানি—পাকিস্তানের দ্বিমুখী নীতির পাল্টা জবাব দিতে এবার কোমর বেঁধে নামল ভারত। সিন্ধু জল চুক্তি (IWT) সংশোধন ও স্থগিত করার প্রক্রিয়ার মধ্যেই এবার বড় পদক্ষেপ নিল নয়াদিল্লি। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ইরাবতী (Ravi) নদীর অতিরিক্ত জল যা এতদিন বয়ে পাকিস্তানে চলে যেত, তা এবার সম্পূর্ণভাবে আটকে দেওয়া হবে। ভারতের এই সিদ্ধান্তে মরুভূমি হওয়ার উপক্রম হতে পারে ওপার বাংলার পাঞ্জাব প্রদেশের।
ইরাবতীর জল রুখতে ভারতের রণকৌশল
ইরাবতী নদীর ওপর নির্মিত শাহপুর-কান্দি বাঁধ (Shahpur-Kandi Dam) প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরেই এই পদক্ষেপ কার্যকর করা হচ্ছে। এতদিন ভারতের ভাগের জল পরিকাঠামোর অভাবে বয়ে পাকিস্তানে চলে যেত। কিন্তু ভারত এখন সেই জলকে নিজের কাজে লাগাতে বদ্ধপরিকর:
জল আর যাবে না ওপারে: ইরাবতী নদীর যে অতিরিক্ত জল পাকিস্তানে যেত, তা এখন থেকে জম্মু-কাশ্মীর ও পাঞ্জাবের কৃষিকাজে ব্যবহৃত হবে।
সেচ ও বিদ্যুৎ: এই প্রকল্পের ফলে ভারতের হাজার হাজার হেক্টর জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব হবে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে।
সিন্ধু জল চুক্তি নিয়ে কড়া অবস্থান
ভারত সম্প্রতি পাকিস্তানকে সিন্ধু জল চুক্তি নিয়ে নোটিশ পাঠিয়েছিল। কিষাণগঙ্গা ও রাটল জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে পাকিস্তানের অহেতুক আপত্তির জবাবে ভারত এই ঐতিহাসিক চুক্তি পুনর্বিবেচনা বা স্থগিত করার পথে হাঁটছে। ভারত স্পষ্ট করে দিয়েছে:
রক্ত ও জল একসঙ্গে বইতে পারে না: প্রধানমন্ত্রীর সেই পুরোনো হুঁশিয়ারিই এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।
আইনি অধিকার: সিন্ধু চুক্তি অনুযায়ী ইরাবতী, বিপাশা ও শতদ্রু নদীর জলের ওপর ভারতের পূর্ণ অধিকার রয়েছে। এতদিন ভারত উদারতা দেখালেও, এখন সেই জলের প্রতিটি ফোঁটা ভারতের কৃষকদের জন্য সংরক্ষিত হবে।
চাপ বাড়ছে পাকিস্তানের ওপর
অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত পাকিস্তানের কাছে ভারতের এই জল আটকানোর সিদ্ধান্ত বড় ধাক্কা। সিন্ধু নদের অববাহিকায় অবস্থিত পাকিস্তানের কৃষি ব্যবস্থা পুরোপুরি এই নদীর ওপর নির্ভরশীল। ভারতের এই ‘জল-কূটনীতি’ পাকিস্তানকে কোণঠাসা করার ক্ষেত্রে একটি বড় হাতিয়ার হতে চলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
