শপথের পরেই সক্রিয় রাজ্যপাল আর.এন. রবি, লোকভবনের শূন্যপদ পূরণে নবান্নকে কড়া চিঠি

শপথের পরেই সক্রিয় রাজ্যপাল আর.এন. রবি, লোকভবনের শূন্যপদ পূরণে নবান্নকে কড়া চিঠি

ট্রেন্ডিংপশ্চিমবঙ্গরাজনীতিভোট 26

3/19/20261 min read

শপথের পরেই সক্রিয় রাজ্যপাল আর.এন. রবি, লোকভবনের শূন্যপদ পূরণে নবান্নকে কড়া চিঠি

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করার পরেই পুরোদমে সক্রিয় হয়ে উঠলেন আর.এন. রবি। রাজভবন বা লোকভবনের প্রশাসনিক স্তরে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটাতে এবার সরাসরি নবান্নের দ্বারস্থ হলেন তিনি। বুধবার লোকভবনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শূন্যপদ পূরণের আর্জি জানিয়ে রাজ্য সরকারকে চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল।

দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক শূন্যতা ঘোচানোর উদ্যোগ

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, গত কয়েক বছর ধরে লোকভবনের উচ্চপদে নিয়োগ নিয়ে রাজভবন ও নবান্নের মধ্যে টানাপড়েন চলছিল। বিশেষ করে প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সময় থেকে রাজ্যপালের প্রধান সচিবের পদটি খালি ছিল। নতুন রাজ্যপাল আর.এন. রবি দায়িত্ব নিয়েই সেই জট কাটাতে উদ্যোগী হয়েছেন।

চিঠিতে যে পদগুলির কথা উল্লেখ করা হয়েছে:

  • সচিব (Secretary): একজন অভিজ্ঞ আইএএস (IAS) আধিকারিককে এই পদে নিয়োগের আবেদন জানানো হয়েছে।

  • বিশেষ সচিব (Special Secretary): এই পদের জন্য একজন প্রোমোটি আইএএস আধিকারিকের নাম চাওয়া হয়েছে।

  • যুগ্ম ও ডেপুটি সচিব: তিনটি ডব্লিউবিসিএস (WBCS) অফিসার পদের জন্য নবান্নের কাছে প্যানেল চাওয়া হয়েছে।

দ্রুত পদক্ষেপের প্রত্যাশা

মঙ্গলবার লোকভবনের এক আধিকারিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গত শুক্রবারই রাজ্য সরকারের কাছে এই সংক্রান্ত বার্তা পাঠানো হয়েছে। রাজভবনের আশা, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই নবান্ন যোগ্য আধিকারিকদের নাম পাঠাবে। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজভবনের কর্মক্ষমতা বাড়াতে এই নিয়োগ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

"প্রশাসনিক কাজে গতি আনতেই এই পদক্ষেপ। রাজভবন ও নবান্নের মধ্যে সমন্বয় আরও মজবুত করতে শূন্যপদগুলি দ্রুত পূরণ হওয়া প্রয়োজন।" — প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞ

পটভূমি

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস তৎকালীন প্রধান সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই রাজভবনের সচিবালয়ে এক ধরনের প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। নতুন রাজ্যপাল আর.এন. রবি দায়িত্ব নেওয়ার পর এই ফাইলটি পুনরায় খোলার মাধ্যমে স্পষ্ট করে দিলেন যে, তিনি রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে মিলেই কাজ করতে আগ্রহী।