চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ কবে শেষ? সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের প্রশ্নে জবাব রেলমন্ত্রীর, অভিযোগের তির রাজ্যের দিকে
চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ কবে শেষ? সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের প্রশ্নে জবাব রেলমন্ত্রীর, অভিযোগের তির রাজ্যের দিকে
ট্রেন্ডিংপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি


চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ কবে শেষ? সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের প্রশ্নে জবাব রেলমন্ত্রীর, অভিযোগের তির রাজ্যের দিকে
চিংড়িঘাটা এলাকায় মেট্রো প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার সময়সীমা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়তেই বিষয়টি সংসদে তোলেন সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী জানান, প্রকল্পের কাজ এগোলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে একাধিক প্রশাসনিক ও পরিকাঠামোগত সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে। বিলম্বের অন্যতম কারণ হিসেবে জমি, অনুমোদন এবং বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ের ঘাটতির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
রেলমন্ত্রীর বক্তব্য, বড় অবকাঠামো প্রকল্পে একাধিক সংস্থার সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোথাও অনুমোদন বা প্রক্রিয়া বিলম্বিত হলে তার প্রভাব সরাসরি কাজের গতির উপর পড়ে। চিংড়িঘাটার ক্ষেত্রেও সেই সমস্যাই সামনে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেন, চিংড়িঘাটা ও ইএম বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় প্রতিদিন তীব্র যানজটের মুখে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। মেট্রোর কাজ দ্রুত শেষ না হলে ভোগান্তি আরও বাড়বে বলেই তাঁর আশঙ্কা। তিনি নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করে দ্রুত কাজ শেষ করার দাবিও জানান।
অন্যদিকে রাজ্যের একাংশের দাবি, প্রকল্পে রাজ্য সহযোগিতা করছে এবং বিলম্বের জন্য শুধুমাত্র রাজ্যকে দায়ী করা ঠিক নয়। তাদের মতে, প্রযুক্তিগত জটিলতা ও পরিকল্পনাগত পরিবর্তনের কারণেও কাজের গতি কমেছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, চিংড়িঘাটার মেট্রো প্রকল্প এখন কেন্দ্র–রাজ্য চাপানউতোরের অন্যতম ইস্যু হয়ে উঠেছে। ফলে কাজ শেষের সময়সীমা নিয়ে অনিশ্চয়তা যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক বিতর্ক। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন একটাই—রাজনৈতিক তরজা ছেড়ে কবে শেষ হবে মেট্রোর কাজ এবং কবে মিলবে যানজটের হাত থেকে স্বস্তি।
