পালিয়েও শেষরক্ষা হলো না: দিল্লির জামা মসজিদ থেকে গ্রেফতার পিলখানা প্রোমোটার খুনের পাণ্ডা হারুন ও রোহিত

পালিয়েও শেষরক্ষা হলো না: দিল্লির জামা মসজিদ থেকে গ্রেফতার পিলখানা প্রোমোটার খুনের পাণ্ডা হারুন ও রোহিত

ট্রেন্ডিংপশ্চিমবঙ্গভোট 26

3/6/20261 min read

পালিয়েও শেষরক্ষা হলো না: দিল্লির জামা মসজিদ থেকে গ্রেফতার পিলখানা প্রোমোটার খুনের পাণ্ডা হারুন ও রোহিত

নিজস্ব প্রতিবেদন, হাওড়া: হাওড়ার পিলখানায় ভরদুপুরে নৃশংস প্রোমোটার খুনের ঘটনায় অবশেষে পুলিশের জালে মূল দুই পাণ্ডা। বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লির জামা মসজিদ এলাকা থেকে মূল অভিযুক্ত হারুন খান এবং তার ছায়াসঙ্গী রোহিত হোসেনকে গ্রেফতার করেছে হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দারা। পুলিশ জানিয়েছে, খুনের পর বিহার হয়ে দিল্লি পালিয়ে গিয়েছিল তারা।

যেভাবে চলল অপারেশন:

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা এলাকায় বছর ২৭-এর প্রোমোটার সৌফিক খানকে প্রকাশ্য রাস্তায় পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে হারুন ও রোহিতের চেহারা স্পষ্ট ধরা পড়লেও তারা গা ঢাকা দিয়েছিল। হাওড়া সিটি পুলিশ ও সিআইডির (CID) বিশেষ টিম গত কয়েকদিন ধরে বিহার ও উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানোর পর গোপন সূত্রে খবর পায় যে তারা দিল্লিতে গা ঢাকা দিয়ে আছে। এরপরই দিল্লির জামা মসজিদ এলাকায় হানা দিয়ে দুজনকে পাকড়াও করা হয়।

খুনের কারণ ও নেপথ্য কাহিনী:

তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, প্রোমোটিং সংক্রান্ত বিবাদ এবং পুরনো শত্রুতার জেরেই এই খুন।

  • টাকার দাবি: নিহতের পরিবারের অভিযোগ, হারুন ও তার দলবল সৌফিকের কাছে কয়েক লক্ষ টাকা দাবি করেছিল। তা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে প্রাণ দিতে হলো।

  • রাজনৈতিক বিতর্ক: এই খুনের ঘটনায় শাসকদলের স্থানীয় এক বিধায়কের সাথে হারুনের ছবি ভাইরাল হওয়ায় রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। তবে পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধী যে-ই হোক, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমান অবস্থা:

ধৃতদের ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর আগে এই খুনের ঘটনায় সাহায্য করার অভিযোগে আরও ৩ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এবার মূল পান্ডাদের জেরায় খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র এবং এই ষড়যন্ত্রের পিছনে আরও কেউ আছে কি না, তা স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।