কংগ্রেস শর্ত মানলেই স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সই, জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের দলনেতা অভিষেক
কংগ্রেস শর্ত মানলেই স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সই, জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের দলনেতা অভিষেক
ট্রেন্ডিংপশ্চিমবঙ্গরাজনীতিভোট 26দেশ


কংগ্রেস শর্ত মানলেই স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সই, জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের দলনেতা অভিষেক
বিধানসভায় স্পিকারের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অনাস্থা প্রস্তাব ঘিরে জোর রাজনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্পষ্ট বার্তা দিল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কংগ্রেস নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মানলে তবেই অনাস্থা প্রস্তাবে সমর্থন বা সইয়ের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
দলীয় সূত্রের দাবি, বিরোধী শিবিরের ভেতরেই কৌশলগত মতভেদ রয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রচারের জন্য অনাস্থা প্রস্তাব আনা হলে তার কোনও বাস্তব ফল হয় না। তাই আগে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান ও স্পষ্ট কৌশল দরকার—এই বার্তাই দিতে চেয়েছেন অভিষেক।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “সংখ্যা, কৌশল এবং লক্ষ্য—এই তিনটি বিষয় পরিষ্কার না হলে অনাস্থা প্রস্তাব কেবল প্রতীকী হয়ে যায়। আমরা প্রতীকী রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেই নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
কংগ্রেসের একাংশ অবশ্য জানিয়েছে, বিরোধী ঐক্যের স্বার্থেই আলোচনা চালানো হবে। তবে তারা এটাও স্পষ্ট করেছে, কোনও দল একতরফাভাবে শর্ত চাপিয়ে দিলে ঐক্য গড়া কঠিন হয়ে পড়বে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল যে বিরোধী রাজনীতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল সমন্বয়। অনাস্থা প্রস্তাবের মতো বড় পদক্ষেপে সব দলের অবস্থান এক করা সহজ নয়, বিশেষ করে যখন আঞ্চলিক ও জাতীয় দলের কৌশল ভিন্ন হয়।
সব মিলিয়ে স্পিকারের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অনাস্থা প্রস্তাব এখন শুধু বিধানসভা নয়, বিরোধী রাজনীতির অভ্যন্তরীণ সমীকরণেরও বড় পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে। এখন নজর, আলোচনার টেবিলে সমঝোতা হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত অনাস্থা প্রস্তাব আদৌ আনা সম্ভব হয় কি না।
